বেইজিং সময় ৫ অক্টোবর ESPN জানায়, এএফসি আগামী বছর সেপ্টেম্বর থেকে এশীয় ন্যাশনস লিগ চালু করবে। এরপর ফুটবল পত্রিকা লেখে, নতুন ফরম্যাট চীনা জাতীয় দলের জন্য লাভ ও লোকসান দুটোই বয়ে আনবে।

এই নতুন আসর এশিয়ান কাপ বাছাইপর্ব ও বিশ্বকাপের এশীয় বাছাইপর্বকে পুরোপুরি সরিয়ে দেবে, একই সঙ্গে একটি চ্যাম্পিয়ন শিরোপাও থাকবে। এশীয় ফুটবলের জন্য এটা নিঃসন্দেহে এক উলটপালট পরিবর্তন। চীনা জাতীয় দলের জন্য এতে লাভ ও ক্ষতি দুই-ই আছে।

এশিয়ায় চীনা দলের এখনকার বাস্তব র্যাঙ্কিং অনুযায়ী প্রথম স্তরের ১৮-এ ঢোকায় সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তার মানে দুই বছর অন্তর এশিয়ার প্রথম সারির দলগুলোর সঙ্গে আরও বেশি লড়ার সুযোগ, যা বাস্তব অভিজ্ঞতা বাড়াবে। আগে চীনা দল শুধু এশিয়ান কাপের ফাইনাল রাউন্ড ও বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ১৮ দলের রাউন্ডেই এশিয়ার শীর্ষ শক্তির মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পেত।
অপ্রত্যাশিত কিছু না হলে ২০৩০ বিশ্বকাপের এশীয় বাছাইপর্ব এখনকার ফরম্যাটেই হবে। ৩৬ দলের রাউন্ড থেকে ১৮ দলের রাউন্ডে ওঠা যেমন বিশ্বকাপের আসন ঠিক করবে, তেমনই এতেই ২০৩০/৩১ মৌসুমের এশীয় ন্যাশনস লিগের স্তর ভাগও হয়ে যাবে।
চীনা দলের জন্য এখনকার জরুরি কাজ ৩৬ দলের রাউন্ড ভালো খেলা এবং ১৮-এ ওঠাকে বাধ্যতামূলক লক্ষ্য করা। কারণ এটা শুধু বিশ্বকাপে উঠার বিষয় নয়, প্রথম এশীয় ন্যাশনস লিগে চীনা দল কোন স্তরে পড়বে তাও এর ওপর নির্ভর করবে। ১৮-এ উঠতে না পারলে বড় সম্ভাবনা দ্বিতীয় স্তরে পড়ার। তখন ১৮ দলের মধ্যে প্রথম দুইয়ে থাকলে তবেই প্রথম স্তরে উঠা যাবে, কঠিনতা কম নয়। তুলনায় ১৮-এ ঢুকতে পারলে প্রথম স্তরের শেষ দুই স্থান এড়াতে পারলেই অবনমন এড়ানো যায়।
২০২৬ বিশ্বকাপের ১৮ দলের রাউন্ডে চীনা দল ১৪তম হয়েছিল। বিপজ্জনক হলেও প্রথম স্তরের যোগ্যতা ধরে রাখার কিছু আশা তখনও ছিল।
| বিষয় | যাচাই | সতর্কতা |
|---|---|---|
| বয়স | ১৮+ | অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যবহার নিষিদ্ধ। |
| নিরাপত্তা | OTP ও পাসওয়ার্ড | কাউকে শেয়ার করবেন না। |
| ব্যবহার | বাজেট ও সময়সীমা | ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবেন না। |